বয়স হয়েছে তো কি হয়েছে? jitawin-এর একটা গেম আমার জীবনটাই বদলে দিল নাকি!
· অফিসিয়াল
বয়স হয়েছে তো কি হয়েছে? jitawin-এর একটা গেম আমার জীবনটাই বদলে দিল নাকি!
আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত মানুষ। সারাদিন বসে বসে টিভি দেখা বা খবরের কাগজ পড়া – এগুলোরও একটা সীমা আছে, তাই না? ছেলে-মেয়েরা সবাই নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত, আর নাতি-নাতনিরা তো কেবল মোবাইল নিয়েই থাকে। তাদের দেখাদেখি আমিও ভাবলাম, মোবাইলে এমন কী আছে যে এত মগ্ন থাকে?
আমার ছোট নাতি একদিন বলল, “দাদু, তুমি jitawin থেকে একটা গেম নামিয়ে দেখো না! খুব মজার মজার গেম আছে।” গেম? আমার মতো বয়স্ক মানুষ গেম খেলবে? ভাবতেই হাসি পাচ্ছিল। কিন্তু নাতির আবদার ফেলতে পারলাম না।
কৌতূহল থেকে আসক্তি?
jitawin-এ গিয়ে নাতিকে বললাম একটা সহজ দেখে গেম নামাতে। ও একটা পাজল গেম নামিয়ে দিল। প্রথমে তো কিছুই বুঝিনি। কীভাবে খেলতে হয়, কোন বোতামে কী কাজ, সব নতুন লাগত। নাতি কয়েকদিন ধরে শিখিয়ে দিল।
- প্রথম প্রথম একটু বিরক্তই লাগছিল, কিন্তু ধীরে ধীরে খেলার নিয়মগুলো বুঝতে শুরু করলাম।
- একটা লেভেল পার করার পর যে আনন্দটা পেলাম, সেটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
- এখন প্রতিদিন সকালে নাস্তার পর আমি কিছুক্ষণ গেম খেলি। মনটা বেশ ফুরফুরে থাকে।
- মাথার কাজ হয়, সময়টাও কেটে যায় বেশ ভালোই। মনে হয় মস্তিষ্কের ব্যায়াম হচ্ছে!
- কয়েকদিন আগে তো আমার পুরোনো বন্ধু শাহেদ সাহেবের সাথে কথা হচ্ছিল, উনিও নাকি আজকাল মোবাইলে গেম খেলেন! অবাক ব্যাপার!
আসলে বয়স হলেও শেখার বা উপভোগ করার কোনো শেষ নেই। jitawin-এর কল্যাণে একটা নতুন শখ খুঁজে পেয়েছি। যারা আমার মতো অবসরপ্রাপ্ত, কিন্তু একঘেয়েমি কাটাতে পারছেন না, তাদের জন্য একটাই কথা – একবার jitawin-এ যান, আর একটা মজার গেম ডাউনলোড করে দেখুন। কে জানে, হয়তো আপনারও জীবনটা একটু হলেও বদলে যাবে!